কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৮:৩৪ AM
কন্টেন্ট: পাতা
ফুলতলা উপজেলায় মোট বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা- ২৫৮১ জন এবং মাসিক ভাতার হার- ৬৫০/- টাকা।
১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতররের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়। উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ, ডাটাবেইজ প্রণয়ন এবং ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে সকল ভাতাভোগীর নিজ মোবাইলের মাধ্যমে G2P (গভর্মেন্ট টু পারসন) পদ্ধতিতে ভাতার অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতার সংজ্ঞা:
বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতাদের ভাতা কর্মসূচির আওতায় 'বিধবা' বলতে যাদের স্বামী মৃত এবং 'স্বামী নিগৃহীতা' বলতে যারা স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত বা অন্য যে কোন কারণে অন্তত ০২ (দুই) বছর যাবৎ স্বামীর ভরণ পোষণ থেকে বঞ্চিত বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন তাদেরকেই বুঝানো হবে।
প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:
(ক) নাগরিকত্ব: প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে;
(খ) বয়স: বয়স অবশ্যই ১৮ (আঠারো) বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। তবে সর্বোচ্চ বয়সের বিধবা /স্বামী নিগৃহীতাকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে;
(গ) স্বাস্থ্যগত অবস্থা: যিনি শারীরিকভাবে অক্ষম অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষমতাহীন তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে;
(ঘ) আর্থ-সামাজিক অবস্থা:
১. আর্থিক অবস্থার ক্ষেত্রে: নিঃস্ব, উদ্বাস্তু ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে;
২. সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে: শিশু সন্তান রয়েছে এমন বিধবা/স্বামী নিগৃহীতা, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, নিঃসন্তান মহিলাদের ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলি:
১. ফুলতলা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে;
৩. বয়স: বয়স অবশ্যই ১৮ (আঠারো) বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে;
৪. যিনি দুঃস্থ, অসহায়, যার ১৮ (আঠারো) বছর বয়সের নিচে ২টি সন্তান রয়েছে এবং যিনি অসুস্থ্ তিনি ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন;
৫. প্রার্থীর বার্ষিক গড় আয় অনূর্ধ্ব ১৫,০০০ (পনের হাজার) টাকা হতে হবে;
৬. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতাদের মধ্যে যারা বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তির বয়সে যখন উপনীত হবেন, তাদেরকে তখন বয়স্ক ভাতা কর্মসূচিতে স্থানান্তর করা যাবে;
৭. বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।
ভাতা প্রাপ্তির অযোগ্যতা:
১. সরকারি কর্মচারী হিসেবে পেনশনভোগী হলে;
২. দুঃস্থ মহিলা হিসেবে ভিডাব্লিউবি কার্ডধারী;
৩. অন্য কোনোভাবে নিয়মিত সরকারি অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে;
৪. কোনো বেসরকারি সংস্থা/সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হতে নিয়মিতভাবে আর্থিক অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে;
৫. পূনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে অথবা স্বামীর সাথে বসবাস শুরু করলে।